২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ ০৯:৩৪ পিএম

মুক্তিযুদ্ধে চিকিৎসকদের অবদান নিয়ে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন 

মুক্তিযুদ্ধে চিকিৎসকদের অবদান নিয়ে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন 
প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত বইটি লিখেন ডা. শাহাদুজ্জামান ও ডা. খায়রুল ইসলাম।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে চিকিৎসকদের বীরত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও সেই ইতিহাস সম্বলিত সমৃদ্ধ ও গবেষণালব্ধ তেমন গ্রন্থ নেই। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে মুক্তিযুদ্ধে চিকিৎসকদের অবদান নিয়ে লেখা ‘মুক্তিযুদ্ধের চিকিৎসা ইতিহাস’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত বইটি লিখেন ডা. শাহাদুজ্জামান ও ডা. খায়রুল ইসলাম। এ সময় বইটি লেখার অভিজ্ঞতা ও মুক্তিযুদ্ধে চিকিৎসকদের অবদানের নানা দিক তুলে ধরেন তারা।

ডা. শাহাদুজ্জামান বলেন, আমার অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল। পেশাগত জায়গা থেকে মুক্তিযুদ্ধকে অনুসন্ধান করার। এক পর্যায়ে কাজ শুরু করি। এরপর প্রাথমিক কিছু তথ্য সংগ্রহ করার পর আমার স্কুল লাইফের সিনিয়র ডা. খায়রুল ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন এবং সহযোগিতা করেন। এভাবেই বইটি লেখা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. খায়রুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, যখন ঢাকার বাবু গুড়া বস্তিতে নির্বিচারে পাকিস্তানীরা গুলি চালাচ্ছে, তখন অনেক মানুষ মারা গেছে। আর যারা বিল্ডিংয়ে ছিল তারা হয়তো রক্ষা পেয়েছে। গুলিবদ্ধ হয়ে মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে এসেছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেই দিনের স্মৃতিগুলো এখনও মনে পড়ছে।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদারদের ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতার বিবরণ দেন বক্তারা। এতে মুক্তিযুদ্ধের সময় সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দেওয়ার বিভিন্ন স্মৃতি বর্ণনা করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, যখন মুক্তিযোদ্ধারা আগরতলা থেকে ঢাকার পথে আসতো। তখন আমরা একটা নাম মুখস্ত করাতাম, ঢাকাতে আহত হলে বা বিপদে পড়লে পলি ক্লিনিকে যেতে হবে। সেখানে ডা. আজিজুর রহমান ছিলেন সার্জন। ওইখানে যাওয়ার জন্য উদ্ভুদ করতাম।

মুক্তিযুদ্ধে শৈশবের নানা ঘটনা ও শহীদদেরকে স্মরণ করে বরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা পাঠ করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল ১০ বা ১১ বছর। সব স্মৃতি ভালো মনে নেই। যতটুকু মনে আছে, পাকিস্তানীরা আমাদের গ্রামের বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। আমরা তখন গ্রামে ছিলাম, পরে সেখানে থেকে চলে যাই। আর আমার বাবা সরকারি চাকরি করতেন। এরপর বাবাকে বদলি করা হয় ফেনী থেকে রংপুরে।’

অধ্যাপক খুরশীদ আলম বলেন, ‘আমরা যেন শহীদদেরকে ভুলে না যাই। তারা আমাদের মাঝে অমর হয়ে আছেন। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি অম্লান শ্রদ্ধা।’ অনুষ্ঠানে দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়

ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়

ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক